মদ পানকারী সাবধান !

ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, সকল প্রকারের নেশা সৃষ্টিকারী দ্রব্যই মদের অর্ন্তভুক্ত এবং সকল নেশা সৃষ্টিকারী দ্রব্যই হারাম। পৃথিবীতে যে লোক মদ পান করে এবং মদ পানে আস্কত অবস্থায় মৃত্যুবরন করে, সে পরলোকে তা পান করতে পারবে না। (সহীহ ইরওয়া ৮/৪১)

আবু হুরাইরা, আবু সাঈদ, আব্দুল্লাহ ইবনু আমর, ইবনু আব্বাস, উবাদা ও আবু মালিক আল-আশআরী (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। নাফি হতে ইবনু উমারের বরাতে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) হতে বিভিন্ন সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীসটি মালিক ইবনু আনাস (রাহ) নাফি হতে ইবনু উমারের সুত্রে মাওকূফ ভাবে বর্ণনা করেছেন মাওরুফ ভাবে নয়।
আবুদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, মদ পানকারী ব্যক্তির চল্লিশ দিনের নামায কবুল হয় না। সে তাওবা করলে আল্লাহ তায়ালা তার তাওবা কবুল করেন। যদি আবার সে মদ পান করে, আল্লাহ তায়ালা তার চল্লিশ দিনের নামায কবুল করেন না। যদি সে তাওবা করলে আল্লাহ তায়ালা তার তাওবা গ্রহণ করেন। সে যদি আবার মদপানে লিপ্ত হয় তাহলে আল্লাহ তায়ালা তার চল্লিশ দিনের গ্রহণ করেন না। যদি সে তাওবা করলে আল্লাহ তায়ালা তার তাওবা গ্রহণ করেন। সে চতুর্থবারে মদপানে জড়িয়ে পড়লে আল্লাহ তায়ালা তার চল্লিশ দিনের নামায গ্রহণ করেন না। যদি সে তাওবা করলে আল্লাহ তায়ালা তার তাওবা কবুল করবেন না এবং তাকে ‘নাহরুল খাবাল’ হতে পান করাবেন। প্রশ্ন করা হলো হে আব্দুর রহমান,(ইবনু উমার) খাবাল নামক ঝর্ণাটি কি ? তিনি বললেন জাহান্নামীদের পূঁজের ঝর্ণা। (সহীহ ইবনু মা-জাহ ৩৩৭৭)
এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান বলেছেন। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর এবং আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এরকম বর্ণনা করেছেন।