Showing posts with label বিধি-বিধান. Show all posts
Showing posts with label বিধি-বিধান. Show all posts

সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ-১

মহান আল্লাহ মানুষকে এ পৃথিবীতে খিলাফতের এক সুন্দর দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছেন। আদম আলাইহিস সালাম ও তার সন্তানাদিকে সর্বপ্রথম এ দায়িত্ব দেয়া হয়। আদম আলাইহিস সালামের সন্তান হাবিলের কুরবানী কবুল হওয়া সম্পর্কে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেন:
﴿ إِنَّمَا يَتَقَبَّلُ ٱللَّهُ مِنَ ٱلۡمُتَّقِينَ ٢٧ ﴾ [المائ‍دة: ٢٧]
নিশ্চয় আল্লাহ মুত্তাকীদের নিকট হতেই (সৎকর্ম) কেবল গ্রহণ করেন।
মূলত: মানুষকে সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজ হতে বারণ করার এক মহান দায়িত্ব দিয়ে সৃষ্টির শুরু হতে

হজ-উমরার ফাযাইল ও উপকারিতা

বিবিধ অনন্যতায় উদ্ভাসিত এক ইবাদাতের নাম হজ। একই সঙ্গে এটি কায়িক ও আর্থিক ইবাদাত- জীবনে একবারই যা সম্পন্ন করা ফরয। এর স্থান, সময় ও কার্যাদি সবকিছুতেই রয়েছে স্বকীয়তা। এটি কেবল সামর্থ্যবানদের ওপরই ফরয; সালাত-রোজার মতো ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবার জন্য জরুরী নয়। একদিকে হজ যেমন ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভ, তেমনি সব ধরনের ইবাদাতের সমন্বয়ক। ফলে যিনি হজ করেন তিনি যেন রোযা রাখেন, সালাত আদায় করেন, ইতিকাফ করেন, যাকাত প্রদান করেন এবং আল্লাহর রাস্তায় রাত

পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় ইসলামের শিক্ষা

মুসলিম হিসেবে আমাদের সবাইকে মসজিদে যেতে হয়। অন্য সব ধর্মাবলম্বীরাও যান তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় উপাসনালয়ে। কোনো ধর্মে যিনি বিশ্বাস করেন না তাকেও যেতে হয় বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে। পাবলিক লাইব্রেরি, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি হাসপাতাল, অফিস-আদালত, স্টেশন, লঞ্চ বা বাসটার্মিনাল থেকে নিয়ে হাট-বাজার বা শপিংমলে কম-বেশি আমাদের সবারই যেতে হয়। সব জায়গায়ই থাকে মানুষের প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণের ব্যবস্থা। প্রয়োজন মুহূর্তে সবারই সেখানে যেতে হয়। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে

হজ, উমরা ও যিয়ারত

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ, আজ আপনাদের খেদমতে হাজির করলাম হজ্জ বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ একটি ই-বুক। যা পড়ে আপনি ইসলামের বিধি-বিধান সম্পর্কে আরো জ্ঞান লাভে সক্ষম হবেন। নিচে বইটির সম্পাদকমন্ডলীর ভাষ্য তুলে ধরলাম।
হজ ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ। বিশ্বমুসলিমের শ্রেষ্ঠতম একক মিলনকেন্দ্রিক আমল। হজের এ

মৃত ব্যক্তির পক্ষে কুরবানি

মূলত কুরবানির প্রচলন জীবিত ব্যক্তিদের জন্য। যেমন আমরা দেখি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাহাবিগণ নিজেদের পক্ষে কুরবানি করেছেন। অনেকের ধারণা কুরবানি শুধু মৃত ব্যক্তিদের জন্য করা হবে। এ ধারণা মোটেই ঠিক নয়। তবে মৃত ব্যক্তিদের জন্য কুরবানি করা জায়েয ও একটি সওয়াবের কাজ। কুরবানি একটি সদকা। আর মৃত ব্যক্তির নামে যেমন সদকা করা যায় তেমনি তার নামে কুরবানিও দেয়া যায়।

রমজান মাসে আমাদের করণীয়

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ كُتِبَ عَلَيۡكُمُ ٱلصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِكُمۡ لَعَلَّكُمۡ تَتَّقُونَ ١٨٣ ﴾ [البقرة: ١٨٣]
“হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর সাওম ফরজ করা হয়েছে। যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর। যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার” [সূরা বাক্বারা: ১৮৩]।
ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভের মধ্যে পবিত্র রমাদান মাসের সাওম পালন একটি অন্যতম স্তম্ভ। শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষতা সাধন, সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ জাগ্রত, আল্লাহর অফুরন্ত নিয়ামত প্রাপ্ত ও সর্বত্র আল্লাহভীতি পরিষ্ফূটিত হওয়া ইত্যাদির মহান বার্তা নিয়ে প্রতি বছর আমাদের দুয়ারে আসে কোরআন নাযিলের মহিমান্বিত মাস রমাদান।

রমজান মাসে আমাদের করণীয়-২য় পর্ব

২. কর্মসূচী গ্রহণ: শাবান মাসের শেষের দিকে রমাদানের জন্য একটি কর্মসূচী প্রণয়ন করতে হবে। রমাদানে পড়াশুনা, অফিসে যাওয়া, কুরআন তিলাওয়াত, তাসবীহ-তাহলীল, সালাত, আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখাশুনা করা ও বিশ্রাম ইত্যাদি নিয়ে একটি কর্মসূচী প্রস্তুত করা এবং সে মোতাবেক কাজ করা।

বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ে সাওম

সিয়াম বা রোযা নাম ও ধরণভেদে বিভিন্ন জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে বহুল প্রচলিত একটি ধর্মীয় বিধান, যা মুসলমানদের জন্য অবশ্য পালনীয় (ফরজ) একটি ইবাদত। শেষ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শরী‘য়তে যেমন আল্লাহর পক্ষ থেকে সিয়ামের বিধান দেয়া হয়েছে, তেমনি সিয়ামের বিধান দেয়া হয়েছিল পূর্ববর্তী নবীদের শরী‘য়তেও; পূর্ববর্তী জাতিগুলোর ধর্ম-কর্মেও। আসমানী ধর্ম ছাড়াও মানব রচিত বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ে সাওমের বিধান রয়েছে। আল্লাহ তায়া‘লা বলেন:

কুরআন ও হাদিসের আলোকে যাকাতের বিধান!

প্রিয় ভাইয়েরা! কুরআনুল কারীমে আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন :
وَمَا أُمِرُوا إِلَّا لِيَعْبُدُوا اللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ حُنَفَاءَ وَيُقِيمُوا الصَّلاةَ وَيُؤْتُوا الزَّكَاةَ وَذَلِكَ دِينُ الْقَيِّمَةِ
‘তাদের এ মর্মে আদেশ করা হয়েছে যে, তারা নিবিষ্ট মনে একান্তভাবে শুধুমাত্র আল্লাহর এবাদত করবে, যথাযথভাবে সালাত আদায় করবে, জাকাত প্রদান করবে, আর এটাই হলো সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন।’
আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন :

মদ পানকারী সাবধান !

ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, সকল প্রকারের নেশা সৃষ্টিকারী দ্রব্যই মদের অর্ন্তভুক্ত এবং সকল নেশা সৃষ্টিকারী দ্রব্যই হারাম। পৃথিবীতে যে লোক মদ পান করে এবং মদ পানে আস্কত অবস্থায় মৃত্যুবরন করে, সে পরলোকে তা পান করতে পারবে না। (সহীহ ইরওয়া ৮/৪১)

নামাজে জানাযার নিয়ম

নামাজে জানাযার নিয়ম
সমস্ত প্রশংসা নিখিল জাহানের মালিক একমাত্র আল্লাহর । দরুদ ও সালাম হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি।
প্রিয় মুসলিম ভাইগণ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। আজ জরুরী একটা বিষয় নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হলাম। জানাজার নামায একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একটা মানুষের অন্তিম বিদায় এ জানাজার মাধ্যমে আমরা সম্পন্ন করি। সেই জানাজার নামাজটি অবশ্যই আমাদের সঠিক ভাবে আদায় করা উচিত।
আমাদের মধ্যে অনেকেই জানাজার নামাজের সঠিক